দাজ্জালের বিষয়ে হাদীসের আলোকে বর্ণনা,কে দাজ্জাল আর কোথায় তার মৃত্যু


আসসালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই?
আজ আমরা দাজ্জাল সম্পর্কে জানবো,তো চলেন শুরু করা যাকঃ




১। দাজ্জাল কানা, সে তার সাথে জান্নাত এবং জাহান্নামের দুটি কৃত্রিম ছবি নিয়ে আসবে। যাকে সে বলবে যে এটা জান্নাত প্রকৃতপক্ষে সেটি হবে জাহান্নাম । [বুখারী/৩০৯৪-আবূ সালমা (রাঃ),মুসলিম/৭১০৫]

২। দাজ্জালের ডান চোখ কানা হবে, যেন তা ফোলা আঙ্গুরের ন্যায় । [বুখারী/৬৬২৫-ইবন উমার (রাঃ),তিরমিযী/২২৪৪,মুসলিম/৭০৯৫] ৩। রাসূল (সঃ) বলেছোনঃ দাজ্জাল আসবে। অবশেষে মাদীনার কোন এক পার্শ্বে অবতরণ করবে।এ সময় মাদীনা তিনবার প্রকম্পিত হবে।তখন সকল কাফের ও মুনাফিকরা বের হয়ে তার কাছে চলে আসবে। [বুখারী/৬৬২৬-আ,ই,মালিক (রাঃ)]

৩। রাসূল (সঃ) বলেছোনঃ দাজ্জাল আসবে। অবশেষে মাদীনার কোন এক পার্শ্বে অবতরণ করবে।এ সময় মাদীনা তিনবার প্রকম্পিত হবে।তখন সকল কাফের ও মুনাফিকরা বের হয়ে তার কাছে চলে আসবে। [বুখারী/৬৬২৬-আ,ই,মালিক (রাঃ)]

৪। দাজ্জালেরর সাথে পানি ও আগুন থাকবে । বস্তুতঃ তার আগুনই হবে শীতল পানি,আর পানি হবে আগুন । [বুখারী/৬৬৩২-হুযায়ফা (রাঃ),মুসলিম/৭১০২]

৫। রাসূল (সঃ) বলেছেনঃ মাদীনার প্রবেশ পথসমূহে ফিরিশতা নিয়োজিত রয়েছেন। আতএব সেখানে মহামারী ও দাজ্জাল প্রবেশ করবেনা। [বুখারী/৬৬৩৫-আবূ হুরাইরা (রাঃ),বুখারী/৫৩০৬]

৬। প্রত্যেক নাবীই তাঁর উম্মাতকে কানা মিথ্যাবাদী সম্পর্কে সতর্ক করেছেন । সাবধান! দাজ্জাল কানা হবে। তোমাদের রব কানা নন । দাজ্জালেরর দুই চোখের মাঝখানে কাফির লেখা আছে । [মুসলিম/৭০৯৭,তিরমিযী/২২৪৮,বুখারী/৬৬৩৩]

৭। মুজাম্মা' ইবন জারিয়া আনসারী (রাঃ) বলেন,আমি রাসূল (সঃ) কে বলতে শুনেছিঃ ইবন মারইয়াম (ঈসা আঃ) দাজ্জালকে লুদ্দ দ্বার প্রান্তে হত্যা করবেন । [তিরমিযী/২২৪৭]

আজ এ পর্যন্তই,সবাই ভালো থাকবেন।আর সব সময় islamjibon24.blogspot.comএর সাথেই থাকুন ইসলামিক গপ্ল ও বিভিন্ন ইসলামিক ট্রিপস্ পেতো।

হস্তমৈথূনের ক্ষতিকর দিকগুলো শেষ পর্ব.....

 হস্তমৈথূনের_ক্ষতিকর_দিকগুলোঃশেষ পর্ব

যদি কোন কারনে ১বার উত্তেজিত হয়ে যান তাহলে, ভুলেও পেনিসে হাত দিবেন না। বরং হস্তমৈথুনের অপকারী দিকগুলো নিয়ে চিন্তা করুন। এবং বেশি বেশি "লা হাউলা ওলা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ" পাঠ করতে থাকুন।  নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করুন। কারন একমাত্র নামাযই পারে সকল প্রকার অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখতে। সবসময় পাক-পবিত্র থাকার চেস্টা করুন।  মনে রাখবেন ১বার যদি কোন নারী আপনার পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাহলে এর মত লজ্জার আর কিছুই নেই। পুরুষত্বহীনতার মূল কারনই হল হস্তমৈথুন। তাই আমি আবারও বলছি, যৌবনদীপ্ত এবং উদ্দাম বীরপুরুষ হতে, এখন থেকেই সিদ্ধান্ত নিন আর জীবনে কখনো হস্তমৈথুন করবেন না। আশা করি আমি যা বলেছি হস্তমৈথুন কমানোর জন্য এর চেয়ে আর কোন ভাল উপায় নেই। এই কয়েকটি কাজ যদি আপনি ১০০% করতে পারেন, তবে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি হস্তমৈথুন থেকে আপনি সম্পূর্ণরূপে মুক্তি লাভ করতে পারবেন। ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ, আমাদের সবাইকে এই গুনাহ থেকে ১০০% মুক্ত থাকার তৌফিক দাণ করুক। (আমিন)

হস্তমৈথূনের ক্ষতিকর দিকগুলো পর্ব ২

হস্তমৈথূনের_ক্ষতিকর_দিকগুলোঃ

★ হস্তমৈথুনের শাস্তিঃ

হস্তমৈথুন করা হারাম এবং লানত যোগ্য অপরাধ। এটা করলে পুরুষের বীর্য পাতলা হয়ে যায় এবং লিঙ্গ ছোট আর বাকা হয়ে যায়। দ্রুত বীর্যপাতের প্রধান কারন হল হস্তমৈথুন। যারা হস্তমৈথুন করে, কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তাদের দিকে রহমতের দৃষ্টি দিবেন না। তাদের আঙ্গুলগুলো গর্ভবতী হবে এবং তারা চরম অপমানিত ও লাঞ্চিত অবস্থায় হাশরের ময়দানে উপস্থিত হবে।

★ হস্তমৈথুন থেকে বিরত থাকার উপায়ঃ

এই কবীরা গুনা থেকে বিরত থাকতে হলে অবশ্যই সবার প্রথম, মহান আল্লাহর নিকট খাটি তওবা করতে হবে । তারপর নিম্নবিত্ত উপায় অনুসরণ করতে পারেন ।

✔ হস্তমৈথুন এতদিন যা করেছেন তা সম্পূর্ণরূপে ভুলে জান এবং আজকের পর থেকে ভুলেও কখনো হস্তমৈথুন করবেন না বলে কঠিনভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।

✔ লিঙ্গ কখনো স্পর্শ করা তো দুরের কথা, ভুলেও কখনো ইচ্ছা করে লিঙ্গের দিকে তাকাবেন না ।

✔ ভুলেও আজ থেকে 3x বা অন্য কোন খারাপ মুভি বা খারাপ স্টিল পিকচার বা পর্ণ মুভি দেখবেন না। এমনকি আজ থেকেই কম্পিউটার এবং মোবাইল থেকে সকল 3x সহ যত খারাপ মভি বা পর্ণ মুভি এবং ছবি আছে সব ডিলেট করে দিন। সাথে আর কখনো এগুলো কালেকশান করবেন না বলে কঠিন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।

✔ রাস্তা ঘাটে, হাটে বাজারে কখনো কোন মেয়ের দিকে তাকাবেন না। প্রথমবার দৃষ্টি দিলেও সঙ্গে সঙ্গে নিচের দিকে তাকিয়ে পরবেন। যেন মনের মধ্যে কোন খারাপ চিন্তা না আসে। এবং নিচের দিকে তাকিয়ে বেশি বেশি "লা হাউলা ওলা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ" পাঠ করতে থাকবেন।

✔ সর্বসময় মনেরাখবেন, অতি দ্রুত বীর্য বের হওয়া এবং লিঙ্গ ছোট, বাকা হওয়া এবং বীর্য পাতলা হয়ে যাওয়ার একমাত্র কারন হচ্ছে হস্তমৈথুন। সুতরাং এটা থেকে সব সময় ১০০ হাত দূরে থাকুন।

✔ কখনো রুমে দরজা বন্ধ করে একা বসে থাকবেন না। কারন একা বসে থাকলে মানুষের মনে সব অবাস্তব চিন্তা এসে ভর করে। জানেনই তো অলস মস্তিস্ক শয়তানের কারখানা।

✔ গরম পরিবেশে থাকবেন না। রুমের দরজা জানালা খোলা রাখবেন। বেশী গরম অনুভব করলে গোসল করে নিবেন। সবসময় নিজেকে কোন না কোন কাজে ব্যস্ত রাখুন। অশ্লীল চিন্তা কম করুন।

হস্তমৈথূনের ক্ষতিকর দিকগুলো,পর্ব ১...জেনে রাখেন কাজ হবে।

"বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম"



হস্তমৈথূনের_ক্ষতিকর_দিকগুলোঃ

(বিঃদ্রঃ- এই পোষ্টি শুধুমাত্র ১৮+ বয়স্কদের জন্য)

যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর। দরুদ ও সালাম আল্লাহর
রাসূল (সা) এর উপর। পরম করুণাময় ও অসীম
দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

হস্তমৈথুন ছেলে ও মেয়ে সকলের জন্যই হারাম।

ইমাম শাফেয়ী কুরআনের এই আয়াতের মাধ্যমে একে হারাম বলেছেন।

★• এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না। অতঃপর কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী হবে। (সূরা মুমিনুন ৫-৭)

উক্ত আয়াতে নিজ স্ত্রী ও দাসী ব্যতীত সকল প্রকার অবৈধ যৌনাচারণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে যার মধ্যে হস্তমৈথুনও অন্তর্ভুক্ত । আর যে এটাকে অমান্য করবে সে সীমা লঙ্ঘনকারী ।

★• যারা বিবাহে সামর্থ নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন। ( সূরা নুর ৩৩)

এখানে যারা বিবাহে সমর্থ নয় তাদের ধৈর্য্য ধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ।

হাদীস হতে আমরা পাই ,

★আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) বলেন , আমরা যুবক বয়সে নবী (সা) এর সাথে ছিলাম ; অথচ আমাদের কোন কিছু (সম্পদ ) ছিল না । এমনি অবস্থায় আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ ( সা) বলেন , হে যুব সম্প্রদায় ! তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে , তারা যেন বিয়ে করে । কেননা, বিয়ে তার দৃষ্টিকে সংযত রাখে ও যৌনতাকে সংযমী করে এবং যাদের শাদী করার সামর্থ্য নেই , সে যেন রোযা পালন করে । কেননা , রোযা তার যৌনতাকে দমন করবে ।
(বুখারী ৪৬৯৬ ইফা)

#অতিরিক্ত হস্তমৈথূনের ফলে পুরুষাঙ্গ বাকা এবং ছোট হয়ে যাওয়া সহ নানাবিদ শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলঃ

✔ হস্তমৈথূন পুরুষাঙ্গে ছিদ্র সৃষ্টি করতে পারে।
✔ হস্তমৈথূনের ফলে পুরুষাঙ্গে ছোট এবং বাকা হয়ে যায়।
✔ হস্তমৈথূনের ফলে পুরুষাঙ্গের আগা মোটা এবং গোরা চিকণ হয়ে যায়।
✔ দ্রুত বীর্যস্থলনের প্রধান কারন হস্তমৈথুন।
✔ হস্তমৈথূনের ফলে পুরুষের বীর্য পাতলা হয়ে যায়।
✔ হস্তমৈথূনের ফলে শারীরিক ব্যথা এবং মাথা ঘোরা রোগের সৃষ্টি হয়।
✔ শরীরের অন্য অঙ্গ যেমন হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে।
✔ হস্তমৈথূনের ফলে কিডনিতে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
✔ হস্তমৈথূন দৃষ্টি শক্তিকে দুর্বল করে দেয় এবং মাথা ব্যাথার সৃষ্টি করে।
✔ কেউ কেউ তোতলানো এবং কানে কম শোনা রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
✔ যৌন ক্রিয়ায় সাথে জড়িত স্নায়তন্ত্র দুর্বল করে দেয় ফলে পুরুষাঙ্গ ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থতি সৃষ্টি করে।
✔ বিয়ের আগে হস্তমৈথূনের ফলে পুরুষাঙ্গ অকেজো হয়ে পরে, ফলে বিয়ের পরে পুরুষাঙ্গ ঠিকমত কাজ না করায় যৌন চাহিদা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে ৯৯%।

যৌবনদীপ্ত এবং উদ্দাম বীরপুরুষ হতে, তাই আর নয় হস্তমৈথুন!

ছোট গুনাহ থেকেই হয় বড় গুনাহ,,,একি ভালো লাগার মতো ও শিক্ষনীয় ঘটনা


"বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম"

ছোট ছোট গুনাহ থেকে বড় গুনাহের সৃষ্টি।অার ঠিক তেমনি একটি শিক্ষনীয় ঘটনা শেয়ার করলামঃ-------এরকম আরো গপ্ল বা শিক্ষনীয় গপ্ল পেতে islamjibon24.blogspot.com এর সাথেই থাকুন। 

হযরত ওসমান (রাঃ) বলেনঃএক ব্যক্তি ছিল খুব বড় আবেদ।আর এক মহিলা ছিল ভয়ানক দুষ্ট।মহিলা একদা এত বাঁদীকে আবেদের বাড়িতে পাঠালো।সে এসে আবেদকে বললো,আপনি দয়া করে আমাদের বাড়িতে চলুন।টাকা-পায়সার বড় একটা লেন-দেন আছে,তাতে আপনি সাক্ষী থাকবেন।আল্লাহর ওয়াস্তে সত্য সাক্ষ্য হওয়া বড়ই নেকের কাজ।অতএব দ্রুত চলুন।

আবেদ কিছুতেই বাঁদীর কথা মিথ্যা বলে ধারনা করতে পারলেন না।সঙ্গে সঙ্গে তিনি রওনা হলেন।গন্তব্য স্থানে পৌঁচে দেখলেন,খুব মজবুত একটা ঘর।তিনি ঘরে প্রবেশ করলেন।এদিকে বাঁদী দুষ্ট মহিলার নির্দেশ অনুযায়ী ঘরের সমস্ত দরজা-জানাল বন্ধ করে দিলেন।আবেদ দেখলেন,ঘরের মধ্যে উক্ত মহিলা শরাব হাতে বসে আছে এবং তার পাশে ছোট একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে।

মহিলা আবেদকে দেখে বললোঃতুমি এখন আমার হাতে এসেছো।এখন বাধ্য হয়ে তোমাকে যে কোনো একটি খারাপ কাজ করতেই হবে,নতুবা আমি তোমার প্রাণ শেষ করে ফেলব।তুমি এখন আমার সাথে যিনা কর,অথবা এই ছেলেটিকে হত্যা কর,কিংবা এই শরাব পান কর।এদের একটা তোমাকে করতেই হবে,নতুবা রক্ষা পাবে না।

আবেদ অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে পড়লেন,কোন উপায়ান্তর খুঁজে না পেয়ে শরাব পান করবেন বলেই ঠিক করলেন।শরাব পান করার পরই নেসাগ্রস্ত অবস্থায় অপর দুটি খারাবী ও করে ফেললেন।দুষ্ট নারীর উদ্দেশ্য সফল হল।তার উদ্দেশ্য ছিলো আবেদের পরহেযগারী নষ্ট করা।

শিক্ষাঃএকটু চিন্তা করলে স্পষ্টতই বুঝা যায়,বড় বড় গুনাহেরর সূচনা ছোট গুনাহ থেকেই।কাজেই গুনাহ ছোট হোক বা বড় হোক,এক দিক দিয়ে সকলই সমান।পরহেযগারী বড় সম্পদ।একে বজায় রাখতে জীবনপণ চেষ্টা করা উচিৎ।উপরিউক্ত স্বতঃসিদ্ধটি প্রত্যেক গুনাহেই প্রযেজ্য।

এতোক্ষন পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

একটি ঘটনা

জার্মানির এক টিভি লাইভশোতে একজন জার্মান মুসলিম স্কলারকে যখন উপস্থাপক প্রশ্ন করেছিলেন, মুসলমানরা কেন সন্ত্রাস করে? তখন তিনি উক্ত প্রশ্নের জবাব এভাবে উল্টো প্রশ্নের মাধ্যমে দিয়েছিলেন:-


√১. যারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?

√২. যারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?


√৩. যারা অস্ট্রেলিয়া আবিষ্কারের পর নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য ২০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসীকে হত্যা করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?

√৪. যারা হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?


√৫. যারা আমেরিকা আবিষ্কারের পর নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য উত্তর আমেরিকাতে ১০০ মিলিয়ন এবং দক্ষিন আমেরিকাতে ৫০ মিলিয়ন রেড- ইন্ডিয়ানকে হত্যা করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?

  √৬. যারা ১৮০ মিলিয়ন আফ্রিকান কালো মানুষকে কৃতদাস বানিয়ে আমেরিকা নিয়ে গিয়েছিল। যাদের ৮৮ ভাগ সমুদ্রেই মারা গিয়েছিল এবং তাদের মৃতদেহকে আটলান্টিক মহাসাগরে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তারা কি মুসলিম?

√৭. বর্তমানে বার্মাতে যে রোহিঙ্গা মুসলিম নিধন চলছে। তারা কি মুসলিম ?


উত্তর হবে, এসব মহাসন্ত্রাসী ও অমানবিক কার্যকলাপের সাথে মুসলিমরা কখনো জড়িত ছিলনা।
আলহামদুলিল্লাহ। আপনাকে আগে সন্ত্রাসের সংজ্ঞা সঠিকভাবে করতে হবে ও জানতে হবে। যখন কোন অমুসলিম কোন খারাপ কাজ করে, তখন এটাকে বলা হয় অপরাধ। আর যখন কোন মুসলিম একই খারাপ কাজ করে, তখন এটাকে বলা হয় ইসলামী জঙ্গীবাদ"!!


But why!!

ইসলাম ধর্ম হলো শান্তির ধর্ম, ইসলাম সন্ত্রাসী কে যায়গা দেয় না, সন্ত্রাস কে দমন করে, ইসলামের বিরুদ্ধে যারা তৎপর আছে তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করে, এর নাম হলো ইসলাম, আর এই ইসলামের পতাকা তলে যারা আশ্রয় নিয়েছেন তারাই হলো মুসলমান,

: আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুন, ( আমিন )!!!

Sura Ar Rahman

Sura Ar-Rahman Test Sura Ar Rahman.Mishori downlod hjkk